আমাদের কথা, আমাদের লেখা
এবং
আমাদের ব্লগ






“দ্য হুইস্পার ম্যান” বইটি লিখেছেন অ্যালেক্স নর্থ এবং এটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন সালমান হক। বইটির কাহিনী শুরু হয় টম কেনেডির স্ত্রী হঠাৎ মারা যাওয়ার পর। টম সিদ্ধান্ত নেন তার ছেলে জেককে নিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করবে। তারা ফিদারব্যাঙ্ক নামক একটি শহরে চলে আসে। যে শহরটির রয়েছে একটি ভয়াবহ অতীত। আর সেই অতীতের সাথে টমের রয়েছে খুব ঘনিষ্ট সম্পর্ক, আশ্চর্য জনক হলেও সত্যি যে, এই ব্যাপারে টমের বিন্দুমাত্র ধারণা ছিলনা। বিশ বছর আগে ফ্রাঙ্ক কার্টার নামের একজন সিরিয়াল কিলার এই শহরে পাঁচটি শিশুকে অপহরণ করে হত্যা করেছিল। তাকে “দ্য হুইস্পার ম্যান” বলা হতো কারণ, সে রাতের বেলায় তার শিকার শিশুদের জানালায় এসে […]
আজকাল নিছক মনস্তাত্ত্বিক লেখা খুব একটা পড়া হয়না। থ্রিলারই বেশি পড়ি। সম্প্রতি পড়লাম মাইকেল কনেলির ‘ব্লাড ওয়ার্ক’ বইটি। পড়তে গিয়ে প্রথম প্রথম মনে হলো, এই যাহ! কয়েক পৃষ্ঠায় ত বুঝেই গেলাম আসল রহস্য কী। একটা সময় একটু অধৈর্য যে হয়ে পড়িনি তা বলব না। কিন্তু কিছু দূর এগুতেই যেন জেঁকে বসলো বইটা। অবশ্য যেহেতু আমি অনুবাদ পড়েছি, তাই অনুবাদকের কৃতিত্বও কিন্তু অনেক। ইশরাক অর্ণব খুব চমৎকার কাজ দেখিয়েছেন এই বইয়ে। আপনি যদি একটি মনস্তাত্ত্বিক সত্তার সাথে অপরাধ জগতের কল্পকাহিনী উপভোগ করতে চান তবে ‘ব্লাড ওয়ার্ক’ অবশ্যই পড়া উচিত। টেরি ম্যাকেলেব একজন সাবেক এফবিআই স্পেশাল এজেন্ট যার সম্প্রতি হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। […]
“Suits” কাহিনী সংক্ষেপ: “Suits” এর কাহিনী মূলত নিউ ইয়র্ক সিটির একটি নামকরা আইন সংস্থা, Pearson Specter Litt (পরে বিভিন্ন নাম পরিবর্তন করে), এবং এর দুই প্রধান চরিত্র হার্ভি স্পেক্টর (Harvey Specter) এবং মাইক রস (Mike Ross) কে কেন্দ্র করে। প্রধান চরিত্রসমূহ: কাহিনী: হার্ভি স্পেক্টর একটি জুনিয়র সহযোগী আইনজীবী খুঁজছিলেন যখন মাইক রস, যিনি আইনজীবী না হয়েও ল’ স্কুল ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে টাকা রোজগার করছিলেন, তার অফিসে আসে। মাইক দুর্ঘটনাক্রমে হার্ভির সাথে দেখা করে এবং হার্ভি তার মেধা দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকে কাজের প্রস্তাব দেন, যদিও মাইক কোনো আনুষ্ঠানিক আইন ডিগ্রি নেই। সিরিজের মূল কাহিনী মাইক এবং হার্ভির আইনী কৌশল, তাদের […]
“দ্য পোয়েট” (The Poet) কাহিনী সংক্ষেপ: “দ্য পোয়েট” উপন্যাসটি মাইকেল কনেলির জনপ্রিয় ক্রাইম থ্রিলার সিরিজের একটি বই, যা ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইটিতে প্রধান চরিত্র হিসেবে রয়েছেন সাংবাদিক জ্যাক ম্যাকইভয়। কাহিনী সংক্ষেপ: ডেনভার পোস্ট-এর ক্রাইম রিপোর্টার জ্যাক ম্যাকইভয়ের জীবন একদিন সম্পূর্ণরূপে বদলে যায় যখন তার জমজ ভাই শন, একজন ডেনভার পুলিশ ডিটেকটিভ, আত্মহত্যা করে। শন একটি মর্মান্তিক নোট রেখে যায়, যা বিখ্যাত কবি এডগার অ্যালান পো-এর কবিতা থেকে উদ্ধৃত। জ্যাক বিশ্বাস করতে পারে না যে তার ভাই আত্মহত্যা করতে পারে এবং সে নিজের অনুসন্ধান শুরু করে। জ্যাকের অনুসন্ধানে, সে আবিষ্কার করে যে তার ভাইয়ের মৃত্যু শুধুমাত্র একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা […]
পৃথু ঘোষ চেয়েছিল, বড় বাঘের মতো বাঁচবে। বড় বাঘের যেমন হতে হয় না কারও উপর নির্ভরশীল—না নারী, না সংসার, না গৃহ, না সমাজ— সেভাবেই বাঁচবে সে, স্বরাট, স্বয়ম্ভর হয়ে। তার বন্ধু ছিল তথাকথিত সভ্য সমাজের অপাঙক্তেয়রা। পৃথু ঘোষ বিশ্বাস করত, এই পৃথিবীতে এক নতুন ধর্মের দিন সমাসন্ন। সে-ধর্মে সমান মান-মর্যাদা এবং সুখ-স্বাধীনতা পাবে প্রতিটি নারী-পুরুষ। বিশ্বাস করত, এই ছোট্ট জীবনে বাঁচার মতো বাঁচতে হবে প্রতিটি মানুষকে। শুধু প্রশ্বাস নেওয়া আর নিঃশ্বাস ফেলা বাঁচার সমার্থক নয়।………………. আসলে পৃথু কি পেরেছিল তার স্বপ্নের সমান বড় হয়ে বাঁচতে নাকি সমাজ (তথাকথিত!) তাকে আঁকড়ে ফেলেছিল তার নিজের বেড়াজালে? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসে […]
দ্য ব্ল্যাক একো” (The Black Echo) কাহিনী সংক্ষেপ: “দ্য ব্ল্যাক একো” হলো মাইকেল কনেলির জনপ্রিয় ডিটেকটিভ হ্যারি বোশ সিরিজের প্রথম উপন্যাস। এই উপন্যাসে, লস এঞ্জেলেস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (LAPD)-এর হোমিসাইড ডিটেকটিভ হ্যারি বোশ একজন সৎ কিন্তু বিদ্রোহী অফিসার হিসেবে পরিচিত। কাহিনী শুরু হয় যখন হ্যারি বোশ একটি মৃতদেহ উদ্ধার করে, যা স্যুয়ারের ভিতরে পাওয়া যায়। মৃতদেহটি প্রাথমিকভাবে একটি নেশাগ্রস্ত মানুষের বলে মনে হলেও, বোশ চিনতে পারে যে এটি আসলে বিলি মেডিনা নামে একজন ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় তার সহযোদ্ধা ছিল। তদন্তে বোশ আবিষ্কার করে যে এই মৃত্যু কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি একটি বৃহৎ চক্রান্তের অংশ। হ্যারি বোশের তদন্ত তাকে একটি […]







